মাছ ধরার অভিনব পদ্ধতি,ভোঁদড় কে পানিতে ছেড়ে দিলেই নিয়ে আসছে বড় বড় জলজ্যান্ত মাছ”ভিডিওটি ব্যাপক ভাইরাল

ভোঁদড় বা উদবিড়াল কয়েক ধরনের আধা জলচর মৎস্যভূক স্তন্যপায়ী প্রাণী। ভোঁদড় বলতে উপগোত্রের প্রাণীগুলোকে বোঝায়, যার মধ্যে আরও আছে উদবিড়াল, নেউল বা বেজি, ব্যাজার ইত্যাদি। বাংলাদেশে ভোঁদড়ের তিনটি প্রজাতি এবং ব্যাজারের একটি প্রজাতি দেখা যায়।

১. নখরযুক্ত ভোঁদড় বা সাধারণ ভাষায় ভোঁদড়
২. নখহীন ভোঁদড়

এদের আসলে নখ রয়েছে, তবে বাইরের দিকে একটু কম বেরিয়ে থাকে। এদের দেহের রং কালচে বাদামি, দেহের নিচের অংশ ময়লা হলদে। ঠোঁট ও গলার দিককার রং প্রায় সাদা। নখহীন ভোঁদড়ের ওজন হয় ৩ থেকে ৫ কেজি।

এদের গোঁফ যেহেতু খাড়া, তাই জলে ভিজে গায়ে লেপ্টে যায় না, ঘোলা জলে এই স্পর্শকাতর গোঁফ শিকারের উপস্থিতি জানান দেয়। নোখহীন ভোঁদড়ের হাত-পায়ের পাতাও খুব স্পর্শকাতর। ফলে কাদায় লুকানো ঝিনুক, শামুক, চিংড়ি, কাঁকড়া এদের হাত থেকে রক্ষা পায় না। এদের শক্তিশালী ছুঁচালো দাঁত আর মাড়ি পিচ্ছিল শিকার ধরতে বা মাছের মুড়ো চিবোতে অত্যন্ত কার্যকর।
যদিও ভোঁদড়ের মূল খাদ্য মাছ, তবে এরা অন্যান্য জলজ অমেরুদন্ডী প্রাণী, যেমন: কাঁকড়া, জলের ব্যাঙ ইত্যাদিও দলবেঁধে শিকার করে থাকে। কিছু ভোঁদড় শেলফিশ খুলতে দক্ষ, আর অন্যরা ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী বা পাখি শিকার করে।

তাই ভোঁদড় দিয়ে মাছ ধরা মাছ ধরার অভিনব পদ্ধতি আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*